যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিপক্ষে ইরানের মূল শক্তি: কতটা শক্তিশালী তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার?

Image 11

ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব নিহতের ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অভিযানের জবাবে ইরান তাদের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার ব্যবহার করে পাল্টা আঘাত শুরু করেছে। সমর বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই বিচিত্র সমরাস্ত্র পশ্চিমা বিশ্বের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের শক্তি
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বৃহত্তম ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার রয়েছে ইরানের হাতে। স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তেহরানের প্রধান শক্তি।

স্বল্পপাল্লা: ১৫০ থেকে ৮০০ কিলোমিটার পাল্লার ‘জুলফিকার’ ও ‘কিয়াম’ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নিকটবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে দ্রুত আঘাত হানতে পারে ইরান।

মাঝারি পাল্লা: ১,৫০০ থেকে ২,০০০ কিলোমিটার পাল্লার ‘সেজ্জিল’ ও ‘শাহাব-৩’ ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলসহ কাতার, বাহরাইন ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানতে সক্ষম।

ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোন কৌশল
রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম ‘সুমার’ ও ‘পাভেহ’ ক্রুজ মিসাইলের পাশাপাশি ইরানের ড্রোন প্রযুক্তি বর্তমানে অত্যন্ত কার্যকর। ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন পাঠিয়ে শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যস্ত রেখে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো ইরানের একটি বিশেষ কৌশল।

ভূগর্ভস্থ ‘মিসাইল সিটি’ ও হাইপারসনিক প্রযুক্তি
দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের জন্য ইরান মাটির নিচে সুরক্ষিত ‘মিসাইল সিটি’ গড়ে তুলেছে, যা বিমান হামলায় ধ্বংস করা কঠিন। এছাড়া শব্দের চেয়ে দ্রুতগতিসম্পন্ন ‘ফাত্তাহ’ হাইপারসনিক মিসাইল এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজবিধ্বংসী সক্ষমতা ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশলে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

ইতিমধ্যেই হরমুজ প্রণালির কাছে কয়েকটি তেলবাহী জাহাজে হামলার দাবি করেছে আইআরজিসি, যা বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

 

সম্পর্কিত পোস্ট

Dingi News

ডিঙ্গি নিউজ একটি আধুনিক অনলাইন সংবাদ মাধ্যম যা বাংলাদেশের ও বিশ্বজুড়ে দ্রুত, সঠিক এবং নির্ভরযোগ্য খবর পৌঁছে দেয়। আমরা জাতীয়, আন্তর্জাতিক, রাজনীতি, খেলা, প্রযুক্তি এবং অন্যান্য সম্পর্কিত খবর সহজভাবে উপস্থাপন করি।

আমাদের সাথে থাকুন